ট্রাম্পকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন আন্দোলনের ডাক!
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও বড় আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে- ‘নো কিংস’। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। আয়োজকদের আশা, এবারের কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেবে এবং এটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বিক্ষোভের দিনে পরিণত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও বড় আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে- ‘নো কিংস’। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
আয়োজকদের আশা, এবারের কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেবে এবং এটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বিক্ষোভের দিনে পরিণত হতে পারে।
এর আগে ২০২৫ সালের জুন ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত ‘নো কিংস’ বিক্ষোভেও ব্যাপক জনসমাগম হয়েছিল; আয়োজকদের দাবি, জুনে প্রায় ৫০ লাখ এবং অক্টোবরে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিল।
আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে ৩ হাজারের বেশি স্থানীয় কর্মসূচির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বড় শহর যেমন ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, সান ফ্রান্সিসকো এবং মিনিয়াপোলিসে বড় বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে।
পাশাপাশি ছোট অঙ্গরাজ্য ভারমন্টেও ৪০টির বেশি কর্মসূচি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে মোট জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও অংশগ্রহণের আগ্রহ দেখিয়েছে।
এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানাবেন, যার মধ্যে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতি, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বা যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সরকারের ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ নিয়ে উদ্বেগ।
অনেকের মতে, এই আন্দোলনের মূল বার্তা হলো- যুক্তরাষ্ট্রে কোনো ধরনের একক বা ‘রাজতান্ত্রিক’ শাসন গ্রহণযোগ্য নয়।
জাতীয় পর্যায়ে আন্দোলনকে এগিয়ে নিচ্ছে অবিভাজ্য, মুভঅন এবং ৫০৫০১-এর মতো প্রগতিশীল সংগঠন।
স্থানীয় পর্যায়ে নাগরিক অধিকার সংগঠন, শ্রমিক ইউনিয়ন, ধর্মীয় গোষ্ঠীসহ নানা সামাজিক সংগঠন এতে যুক্ত হবে বলে আশা করছেন আয়োজনকারীরা।
আয়োজকদের লক্ষ্য, এই বিক্ষোভকে শুধু এক দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো- এই বিক্ষোভ কি বাস্তব রাজনৈতিক পরিবর্তনে রূপ নেবে, নাকি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর গতি কমে যাবে।
আয়োজকরা অবশ্য নতুন কৌশল হিসেবে বিক্ষোভের পাশাপাশি স্থানীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং অংশগ্রহণকারীদের দীর্ঘমেয়াদে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করছেন। তাদের বিশ্বাস, এভাবেই ‘নো কিংস’ আন্দোলন একটি স্থায়ী রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে পারে।
এমএসআই

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: