shartnewsbd@gmail.com বৃহঃস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
১৯ চৈত্র ১৪৩২

‘একজন শত্রুও যেন জীবিত না ফেরে’, ইরানি সেনাপ্রধানের কড়া হুঁশিয়ারি

শর্টনিউজ ডেস্ক : প্রকাশিত: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০৪ পিএম

মহা-সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শত্রু পক্ষ যদি ইরানের মাটিতে কোনো ধরনের ‘গ্রাউন্ড অপারেশন’ বা স্থল অভিযান চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে একজন আক্রমণকারীকেও জীবিত ফিরতে দেওয়া হবে না।

মহা-সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শত্রু পক্ষ যদি ইরানের মাটিতে কোনো ধরনের ‘গ্রাউন্ড অপারেশন’ বা স্থল অভিযান চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে একজন আক্রমণকারীকেও জীবিত ফিরতে দেওয়া হবে না।

 
 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দেশের সকল কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারের সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক অনলাইন ভাষণে তিনি এই ‘নো কোয়ার্টার’ (কাউকে রেহাই না দেওয়া) নীতি ঘোষণা করেন।

 

 

মেজর জেনারেল হাতামি স্থল, নৌ এবং বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ প্রতি মুহূর্তে বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, ইরানি সেনাবাহিনী রক্ষণাত্মক এবং আক্রমণাত্মক—উভয় ক্ষেত্রেই পূর্ণ প্রস্তুত। আমাদের লক্ষ্য দেশ থেকে যুদ্ধের কালো মেঘ সরিয়ে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য—যেখানে তিনি যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানকে নতুনভাবে সাজানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন—তার কড়া সমালোচনা করেন হাতামি। তিনি বলেন, এই ধরনের বক্তব্যই প্রমাণ করে যে মার্কিন-ইসরাইলি জোটের আসল উদ্দেশ্য হলো ইরানের নাম ও অস্তিত্ব মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা। কিন্তু ইরানের জনগণ ও সেনাবাহিনী তাদের এই নীল নকশা সফল হতে দেবে না।

 
 

 

সেনাপ্রধান হাতামি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে 'সবই ইরানের জন্য'—এই নীতিতে অটল থেকে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে সেনাবাহিনী। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানিরা অনিরাপদ থাকলে শত্রুপক্ষকেও কোথাও নিরাপদ থাকতে দেওয়া হবে না।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের এই ‘মরো অথবা মারো’ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যেখানে যেকোনো সময় শুরু হতে পারে এক রক্তক্ষয়ী স্থল যুদ্ধ।

 

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেনি এবং বেশ কয়েকজন সিনিয়র সামরিক কমান্ডারকে হত্যার পর থেকেই আমেরিকা ও ইসরাইল ইরানের ওপর ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এর জবাবে ইরানও শত শত মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে ইসরাইল এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে।

 

এমএসআই

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর